একদম ১২:০১ মিনিটে উইশ করেছো

তুমি কারো জন্মদিন/বার্ষিকীতে ঘড়ির কাঁটা মিলিয়ে একদম ১২:০১ মিনিটে উইশ করেছো মানে এই না যে, সেও তোমাকে একই ভাবে উইশ করবে....
এমন হতে পারে, সে দিনের যেকোনো সময় উইশ করবে, এমনকি উইশ নাও করতে পারে, দিব্যি ভুলে যেতে পারে....!
.
তোমার কাছে কেউ সময় চাইলে তুমি তাকে ঝাপিয়ে পড়ে সময় দিয়েছো মানে এই না যে, তুমি যখন সময় চাইবে তখন সে তোমাকে সময় দিবে....
এমন হতে পারে অন্য কাউকে সময় দিয়ে যদি বাড়তি বা উচ্ছিষ্ট সময় থাকবে, সেটা তোমাকে দিবে.....!
.
তুমি কাউকে তোমার জীবনে প্রায়োরিটি দিয়ে স্পেশাল পার্সনের জায়গা বসালে মানে এই নয় যে, সেও তোমাকে স্পেশাল ভাববে।
এমনও হতে পারে সে তোমাকে গুণতিতেই রাখে নি....!
.
তুমি কাওকে চোখ বন্ধ করে স্বার্থহীনভাবে বিশ্বাস করো তার মানে এই নয় যে, সেও তোমাকে বিশ্বাসের গণ্ডিতে রাখবে,
এমনও হতে পারে সে তোমার কর্মকাণ্ডের পিছনে স্বার্থের গন্ধ খুঁজে তোমাকে এড়িয়ে চলবে.....!
.
তুমি সবসময় সবার ভাল দেখেছো, ভাল করেছো, কারো ক্ষতি করো নি বা চাও নি তার মানে এই না যে, আর সবার থেকে তুমি ভাল পাবে,
এমনও হতে পারে তুমি তোমার খুব কাছের মানুষের থেকেই চরম ক্ষতির শিকার হলে.....!
.
তুমি কাউকে আপন মনে করে মনের কষ্ট কথা বা আনন্দ বেদনা শেয়ার করলে তার মানে এই না যে, সেও তোমার সাথে মনের কথা শেয়ার করতে কমফোর্টেবল ফিল করবে,
এমনও হতে পারে তোমার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সে তোমাকেই বিপদে ফেলতে পারে.....!
.
তুমি কাউকে জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভেবে তার সাথে মনের কথা খুলে বলে ভাবলে সে বুঝি মনোযোগ দিয়ে শুনেছে, কিন্তু সে মনোযোগ দিয়ে নাও শুনতে পারে,
এমনও হতে পারে সে তোমার সাথে কথা বলতে আগ্রহীই না, বরং বিরক্ত হয় তোমার উপরে....!
......
......... আসলে সহজ সরল ভাবে যখন আমরা কোনো মানুষ বা জিনিসকে গুরুত্ব দেই, সেখান থেকেই আঘাত পাই, কারণ আমরা এক্সপেক্টেশন আর রিয়ালিটির মধ্যে পার্থক্য কিছু সময়ের জন্য ভুলে যাই। একই কাজ যদি ওয়ান সাইডেড মেন্টালিটি নিয়ে করি তখন কষ্ট কম হয়। অনেকটা ওয়ান সাইডেড লাভ এর মত। তার মানে আমি এই বলছি না সব কিছুতেই জটিলতা আনতে হবে বা জটিল ভাবতে হবে। মন আর মস্তিষ্ককে একসাথে কাজ করতে দিয়ে তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে জটিল না সহজ। এক্সপেক্টেশন আর রিয়ালিটি এর মাঝে ব্যালেন্স করা শিখতে হবে।

 

Comments